কেস স্টাডি-১ : আমির হোসেন ডায়াবেটিক রোগী, বয়স ৪৯ বছর। দীর্ঘদিনের ঘাড় ব্যথায় ১ মাস ব্যথার ওষুধ ও ৭ দিন ফিজিওথেরাপি নিয়েছেন। ব্যথা না কমে এখন হাতের আঙ্গুলে ছড়াচ্ছে।

সমাধান : ডায়াবেটিকস রোগীদের ঘাড়ে সার্বাইক্যাল স্পনডাইলোসিস বা ক্ষয় রোগ হওয়ার আশংকা বেশি, বয়স ও উপসর্গ শুনে তাই মনে হচ্ছে। ৭ দিন যথেষ্ট নয়, ২৮ দিনের ফিজিওথেরাপি নিলে আশা করা যায় রোগী সুস্থ হয়ে উঠবে। ব্যথার ওষুধ সেবন ডায়াবেটিক রোগীর জন্য নিরাপদ নয়।

কেস স্টাডি-২ : কুমিল্লার নাজমুন নাহারের হঠাৎ তীব্র কোমর ব্যথা হল। সামনে ঝুঁকে কাজ করতে পারছেন না, বেশিক্ষণ দাঁড়াতে বা হাঁটতে পারছেন না। আগেও একবার এরকম ব্যথায় ওষুধ খেয়ে ভালো হয়ে গিয়েছিলেন।

সমাধান : কোমরের ডিস্ক সরে গিয়ে স্নায়ুর গোড়ায় ও স্পাইনাল কর্ডে চাপ সৃষ্টি হলে এ ধরনের সমস্যা হয়। মেডিকেল ভাষায় একে পিএলআইডি বলে। রোগীদের সাধারণত হাসপাতালে থেকে চিকিৎসা নিতে হয় এবং এমআরআই করার প্রয়োজন হতে পারে।

কেস স্টাডি-৩ : ঢাকার স্নেহা পালের গত ৩ মাস ধরে কাঁধে ব্যথা। ডাক্তার বলেছেন ফ্রোজেন সোল্ডার। ওষুধ খেয়ে ও ফিজিওথেরাপি নিয়েও কাজ হচ্ছে না।

সমাধান : ফিজিওথেরাপির সাফল্যনির্ভর করে তিনটি বিষয়ের ওপর। সঠিকভাবে রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা পদ্ধতি ও কতদিন চিকিৎসা নেয়া দরকার তার ওপর। সব কাঁধ ব্যথাই ফ্রোজেন সোল্ডার নয়। এ ক্ষেত্রে ইনজেকশন থেরাপিও প্রয়োজন হতে পারে।