1. সুস্থ হৃৎপিণ্ড : কাজুবাদামে ভালো ফ্যাট থাকে এবং এতে কোলেস্টেরল নেই বললেই চলে। দেহের বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে সাহায্য করে এই বাদাম। এতে রয়েছে অলেইক এসিড, যা হৃৎপিণ্ডের জন্য উপকারী।
  2. সবল হাড় ও মাংসপেশি : কাজুবাদাম ম্যাগনেসিয়ামে সমৃদ্ধ, যা সুগঠিত হাড়, মাংসপেশি ও স্নায়ুর জন্য খুবই দরকারি। মানুষের শরীরে দিনে ৩০০-৭৫০ গ্রাম ম্যাগনেসিয়াম প্রয়োজন হয় হাড়ের ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য।
  3. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ : কাজুবাদামে সোডিয়াম কম থাকে। বেশি থাকে পটাসিয়াম। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় সহজেই।
  4. ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় : এই বাদামে সেলেনিয়াম ও ভিটামিন ‘ই’ আছে, যা ফ্রি র?্যাডিক্যালের জারণ প্রতিরোধ করে। ফলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়। পাশাপাশি বাড়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। কাজুতে প্রচুর জিংক থাকে বলে ইনফেকশনের বিরুদ্ধেও যুদ্ধ সহজ হয়।
  5. দৈনন্দিন চাহিদা পূরণ : কাজুবাদামে উচ্চমাত্রার কপার থাকে। এ কারণে এনজাইমের কাজে, হরমোনের উৎপাদনে এবং মস্তিষ্কের কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এ বাদাম। এ ছাড়া লাল রক্তকণিকা উৎপাদনেও সাহায্য করে এটি। ফলে অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ হয়।
  • সতর্কতা : কাজুবাদামে উচ্চমাত্রার ক্যালোরি রয়েছে। তাই দৈনিক পাঁচ থেকে দশটির বেশি এই বাদাম খাওয়া ঠিক নয়। যাদের অ্যালার্জি কিংবা মাইগ্রেনের সমস্যা আছে, তাদের না খাওয়াই ভালো। আবার হাইপারটেনশনের রোগীদের লবণযুক্ত কাজুবাদাম খাওয়া ঠিক হবে না।